মিল্ক শেক খাওয়ার নিয়মপ্রিয় পাঠক, নাটোরের কাঁচাগোল্লার দাম ২০২৪ সম্পর্কে আজকে আমরা আলোচনা
করবো। নাটোরের কাঁচাগোল্লার সম্পর্কে আগ্রহ নেই এমন মানুষ পাওয়া প্রায় অসম্ভব।
আমরা প্রায় সকলেই সকলেই নাটোরের কাঁচাগোল্লার সম্পর্কে নাম গুণাগুন জানি। নাটোরের
কাঁচাগোল্লা খেতে আমরা সকলেই আগ্রহ প্রকাশ করে থাকি। কিন্তু সবাই পাই না নাটোরের
কাঁচাগোল্লা আসল টা।
আমরা প্রায় সময় দেখি যে রাস্তাঘাটে বিভিন্ন ব্যক্তি নাটোরের কাঁচাগোল্লা বিক্রি
করে থাকেন। আমরা আগ্রহ প্রকাশ করে ক্রয় করি কিন্তু পরে নাটোরের কাঁচাগোল্লার আসল
স্বাদ টা পাই না। নাটোরের কাঁচাগোল্লার দাম ২০২৪ - কাঁচাগোল্লা রেসিপি সপর্কে
জানতে আজকের আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন।
আজকের আর্টিকেলটি আপনি শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়লে নাটোরের কাঁচাগোল্লার দাম
২০২৪ - কাঁচাগোল্লা রেসিপি নাটোরের বিখ্যাত খাবার নাটোরের কাঁচাগোল্লার ইতিহাস
নাটোরের কাঁচাগোল্লা কোথায় পাওয়া যায় সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
তাহলে চলুন বেশি কথা না বাড়িয়ে আজকের আর্টিকেলটি শুরু করা যাক।
পেজ সূচিপত্রঃ
কাঁচাগোল্লা কি
কাঁচাগোল্লা ঠিকভাবে চিনার জন্য আপনাদের সকলের জানা উচিত কাঁচাগোল্লা কি। আপনি
যদি সে সম্পর্কে ভালোভাবে না জেনে থাকেন তাহলে বুঝতে পারবেন না আপনাকে কিভাবে কোন
কাঁচাগোল্লা দিলো। তাই আমাদের সকলের সবার আগে জানা উচিত কাঁচাগোল্লা কি।
কাঁচাগোল্লার অনেক প্রকারভেদ রয়েছে। যেমন আমরা প্রতিদিনের নিত্য প্রয়োজনীয়
কিছু লোককে দেখিয়ে রাস্তায়ে কাঁচাগোল্লা বিক্রি করতে। তইনারা আপনাদের কাছে এই
বলে বিক্রি করেন যে এটা নাটোরের আসল কাঁচাগোল্লা। তাহলে চলুন এখন জেনে নিই
কাঁচাগোল্লা কি।
কাঁচাগোল্লা হলো দুধের কাঁচা ছানা থেকে উৎপাদিত একপ্রকার মিষ্টিজাতীয় খাবার।
দুধের কাঁচা ছানা থেকে তৈরি করা এবং এটি অনেক সুস্বাদ হওয়ার জন্য বনলতা সেন এটাকে
অনেক ভালোবেসে এর নাম দিয়েছিলেন হয় কাঁচাগোল্লা। যেইটা এখন পর্যন্ত অনেক সুনামের
সাথে টিকে আছে। এটিকে অন্য সকল মিষ্টির মত গোল গুটি না করে ছানার আকারে মিষ্টির
সুরাতে ভেজে নিয়ে ছানার মত করেই গুড়ো করে রাখা হয়। এবং এই মিষ্টি জাতীয়
খাবারটি অনেক সুস্বাদু হয়।
নাটোরের কাঁচাগোল্লার দাম ২০২৪
নাটোরের কাঁচাগোল্লার দাম ২০২৪। এই সম্পর্কে আপনারা সকলে সঠিক তথ্যটি জানতে
চান। কিন্তু জানতে পারেন না অনেক বাধা বিপত্তির কারণে। আজকে আমরা আপনাকে জানাবো
নাটোরের কাঁচাগোল্লার দাম ২০২৪এর সঠিক দাম কোনটি। আমার বাড়ি যেহেতু নাটোরে
সেহেতু আমি নিশ্চিতভাবে সঠিক দামটা আপনাদের জানাতে পারব। আপনি যদি জেনে না
থাকেন নাটোরের কাঁচাগোলার দাম ২০২৪ সম্পর্কে।
তাহলে চলুন জেনে নেই নাটোরের কাজগুলোর দাম ২০২৪ সম্পর্কে বিস্তারিত। নাটোরের
কাঁচাগোল্লা নামে রাস্তাঘাটে আমরা প্রায়ই দেখি কিছু সংখ্যক ব্যক্তি খুবই অল্প
দামে কাঁচাগোল্লা বিক্রি করেন। কিন্তু সেটা আপনারা ক্রয় করে বাড়ি গিয়ে হতাশ
হন। আসলে ভালো জিনিস আসলটা খেতে হলে অনেক টাকা ব্যয় করতে হবে এটাই স্বাভাবিক।
রাস্তার ধারে কম টাকায় আপনি নাটোরের আসল কাঁচাগোল্লাটা পাবেন না। যারা ফুটপাত
থেকে কাঁচা গোল্লা ক্রয় করেন উনাদের কাছ থেকে আপনারা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে
ক্রয় করতে পারেন।
কিন্তু নাটোরের আসল কাঁচা গোল্লা নিতে হলে আপনাকে এর দ্বিগুণ টাকা খরচ করতে
হবে।নাটোরের কাঁচাগোল্লার দাম ২০২৪ এর সঠিক দাম হল ৭০০ টাকার আশেপাশে। এর দাম
মাঝেমধ্যে একটু কম হয় আবার কখনো কখনো একটু বেড়ে যায়।
নাটোরের কাঁচাগোল্লার ইতিহাস
নাটোরের কাঁচাগোল্লার ইতিহাস বিভিন্ন জনের বিভিন্ন মত রয়েছে। নাটোরের কাঁচাগোল্লা
এটি শুধু একটি মিষ্টির নামই নয় এটি একটি ইতিহাসের অ অনেক বড় নাম। এই নাটোরের
কাঁচাগোল্লা অনেক বড় একটি ইতিহাসে সাক্ষী হয়ে আছে। এটি প্রায় আড়াইশো বছরের পুরনো
একটি ইতিহাস। লোকমুখে উল্লেখ আছে যে, নাটোরের কাঁচা গোল্লা অনেকটা দায় পড়েই
তৈরি হয়েছিল। থেকে এমন এক রকমের মিষ্টি যা দেখতে গোল নয়। পুরোটাই দেখতে একদম
কাঁচা কাছানোর মত। তবে এটি কাঁচাও নাই। তাহলে চলুন এখন জেনে নেই নাটোরের
কাঁচাগোল্লার ইতিহাস সম্পর্কে।
শহরের লাল বাজারে একজন মিষ্টি দোকানের দোকান ছিল। তিনার নাম ছিল মধুসূদন পাল।
তিনি প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে মিষ্টি বনলতা সেন এর রাজপ্রাসাদে পৌঁছে দিতেন।
রাজা বনলতা সেন অনেকটা মিষ্টি প্রিয় লোক ছিলেন। তিনি প্রচুর পরিমাণে মিষ্টি খেতে
পছন্দ করতেন। আর তিনি সেই মধুসূদন পালের দোকান থেকে মিষ্টি নিতেন তার
রাজপ্রাসাদে। মধুসূদন পালের দোকানে প্রতিদিন প্রায় দুই মন ছানার মিষ্টি উৎপাদন
করা হতো। এই মিষ্টি প্রতিদিন বেচাবেকে শহর রাজপ্রাসাদে তিনি সরবরাহ করতেন।
একদিন সকালে যখন দোকানে গেলেন তখন গিয়ে দেখলেন যে আর দোকানের যে প্রধান মিষ্টি
বানানোর কারিগর তিনি দোকানে আসেন নি। তাই তিনি অনেক খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারলেন
তার সেই প্রধান কারিগর অনেক অসুস্থ। তিনি দোকানে পৌঁছে দেখলেন তার দোকানে দুই মণ
দুধের ছানা পড়ে রয়েছে। তিনি অনেক চিন্তায় পড়ে গেলেন যে এই ছানা কিভাবে কি কাজ
করবেন। তার ওপর আবার তাকে রাজবাড়ীতে মিষ্টি পাঠাতে হবে।
মধুসূদন পাল যখন চিন্তায় পড়েছিলেন ঠিক সেই সময় রাজার দূত এসে খবর দিলেন এতক্ষণ
হয়ে গেছে রাজ বাড়িতে কেন মিষ্টি পাঠাও নি। রাজা তোমাকে এখনই ডেকেছেন। তখন তিনি
ব্যস্ত হয়ে রাজার সামনে পৌঁছলেন। রাজুকে জিজ্ঞেস করল আজ এখনো মিষ্টি আসেনি কি
ব্যাপার। পরে তিনি বললেন এখনো মিষ্টির উৎপাদন করা হয়নি কারিগর অসুস্থ দুধের ছানা
পড়ে রয়েছে। তখন রাজা তাকে হুকুম করলেন তুমি এখনই দাও যা আছে ওইভাবে নিয়ে আসো।
মধুসূদন পাল তখন দোকানে গিয়ে চিন্তিত হয়ে সেই তার দুধের ছানায় চিনির শিরা
মিশিয়ে দেন। তিনি তার দোকানের ছানাগুলোকে নষ্টের হাত থেকে রক্ষা পেতে চীনের রস
মিশিয়ে দেন। এবং অনেকক্ষণ জাল দেওয়ার পরে তিনি একটু হালকা খেয়ে দেখলেন যে তিনি
মেশানো ছানার দারুন স্বাদ হয়েছে। ওইভাবে তিনি সেই ছানাগুলো রাজার সামনে নিয়ে
উপস্থিত হন।
রাজা দেখে অবাক হয়ে ভাবেন এটা তো কোন মিষ্টি আকার ই হয় নি। তারপর রাজা সেখান
থেকে হালকা একটু মুখে নিয়ে দেখেন যে অনেক সাদ হয়েছে। তারপর রাজামধুসূদন পালের
অনেক প্রশংসা করেন। এবং বলেন যে এই মিষ্টির নাম কি। তখন তিনি অনেক চিন্তা করে
ভাবেন যে এটা তো কোন মিষ্টির আকার দেওয়া হয়নি শুধু দুধের ছানায় চিনির রস
মিশানো হয়েছে। তাই তিনি তখন ঝটপট বলে দেন এর নাম কাঁচাগোল্লা।
সেই ঘটনার পর থেকে রাজা বনলতা সেন ঠিক আছে বলল অনেক পছন্দ করতেন এবং প্রতিদিন
নিয়মিত খেতেন। এর মাধ্যমে কাঁচাগোল্লা উৎপত্তি হয়। কাঁচাগোল্লার উৎপত্তি নিয়ে
নাটোরের লোকে মুখে মুখে অনেক বৈষম্য পাওয়া যায়। তাই কাঁচাগোল্লার ইতিহাস
সম্পর্কে কোন সুস্পষ্ট ধারণা না পাওয়া গেলেও এটাই মনে করে নেওয়া হয় যে
কাঁচাগোল্লা তৈরি হওয়ার এটাই একমাত্র আসলে ইতিহাস।
নাটোরের বিখ্যাত খাবার
নাটোরের কাঁচাগোল্লা হচ্ছে নাটোরের বিখ্যাত খাবার। এর নাম বলতে গেলে সবার আগে
যেইটার নাম উঠে আসবে সেইটা হলো নাটোরের কাঁচাগোল্লা। নাটোরের বনলতা সেন ও তার
বিভিন্ন কার্যাবলির মাধ্যমে নাটোরের বিখ্যাত খাবার হিসেবে কাঁচা গোল্লায় প্রধান
স্থান দখল করে আছে। সেই সময়ে নাটোরের কাঁচাগোল্লা সুদূর বিলেত পর্যন্ত পৌঁছানো
হতো।
তখন শুধু নাটোর জেলা ছাড়াও আরো অনেক জেলায় কাঁচা করলে অনেক বিখ্যাত হয়ে ওঠে।
সকলেই কাঁচা গোলা তখন পছন্দ করতে থাকে। নাটোরের বিখ্যাত খাবার হিসেবে কাঁচা গোলা
ছাড়াও আরো অনেক কিছু রয়েছে। যেগুলো গ্রাম বাড়িতে তৈরি করা হয়ে থাকে। সেগুলো
নিচে দেওয়া হলো।
অবাক সন্দেশঃ কাঁচাগোল্লার পরেই নাটোরের অবাক সন্দেশ একটি ঐতিহ্যবাহী
সন্দেশের নাম। এই সন্দেশের নাম শুনেইঅনেকে অবাক হয়ে যানযে এটা আবার কেমন নাম
সন্দেশের। এই সন্দেশটি অত্যন্ত সুস্বাদু হয় এবং অনেক মুখরোচক। তবে এই সন্দেশটি
শুধুমাত্র নাটোর জেলা ছাড়া অন্য কোন জেলায় তেমনভাবে পাওয়া যায় না বলে
কাঁচাগোল্লার মত তেমন একটা সুনাম দখল করে নিতে পারেনি। এই সন্দেশটি উদ্ভাবনের
পেছনে অনেকে অনেক রহস্য মনে করেন।
কেউ কেউ বলেন যে ব্যক্তি প্রথমেই সন্দেশ তৈরি করেন তার নাম ছিল অবাক, তাই
সন্দেশটির নাম অবাক সন্দেশ রাখা হয়। এই সন্দেশটি আপনি যতই খাবেন ততই অবাক হবেন।
এই সন্দেশটি দেখতে চারকোনা আকৃতির বা অনেকটা রম্বসের আকৃতির। এর গায়ের রং অনেকটা
গাঢ় ঘিয়া কালারের হয়। বাংলাদেশের ভেতর নাটোর জেলার কাঁচাগোল্লার পরেই অবাক
সন্দেশ ঐতিহ্যবাহী একটি মিষ্টি। অবাক সন্দেশের দাম প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকার
মধ্যে হয়ে থাকে।
কুশালিঃ নাটোরের বিখ্যাত খাবারের মধ্যে আরো একটি খাবার রয়েছে যার নাম
কুশালি। এই পিঠাকে অনেকে অনেক নামে চিনে। এতার নাম মূলত দুধ পুলি। এটাকে নাটোর
জেলার মানুষজন কুশালি বলেন। শীতের মৌসুমে নাটোরের প্রত্যেক ঘরে ঘরে তৈরি করা হয়
এই মিষ্টি খাবারটি।
এসকল খাবার ছাড়াও নাটোরের আরো অনেক জনপ্রিয় খাবার রয়েছে। সেগুলো হলোঃ
- বনলতা পান
- পচুর হোটেলের নরম খিচুড়ি ও মাংস ভূনা
- রাঘব শাহী
- কাঁকড় মুরগির তরকারি
- ভাত তেলানি
- দাঁত ভাঙ্গা
- প্রাণহারা মিষ্টি ( ইত্যাদি )
নাটোরের কাঁচাগোল্লা কোথায় পাওয়া যায়
নাটোরের কাঁচাগোল্লা আসল যেইটা রয়েছে সেইটা নিতে হলে আপনাকে অবশ্যই নাটোরে পৌছে
কাঁচাগোল্লা ক্রয় করতে হবে। নাটোরের কাঁচাগোল্লা এমনিতেই আপনি যেখানে সেখানে
দেখতে পারবেন যেকোন ব্যক্তি বিক্রয় করতেছে। কিন্তু আপনি সেখান থেকে কিনে আসল
নাটোরের কাঁচাগোল্লা পাবেন না। তাহলে চলুন এপর্যায়ে জেনে নেই নাটোরের কাঁচাগোল্লা
কোথায় পাওয়া যায়।
নাটোরের কাঁচাগোল্লা আসলটা নিতে হলে আপনি নাটোর গেলে যেকোন দোকানে দেখবেন বিক্রি
করতেছে। সেইখান থেকে না নিয়ে আপনাকে সরাসরি একটি রিক্সা নিয়ে চলে যেতে হবে
কালিবাড়ি মন্দির নামক আবাসিক এলাকায়। অথবা আপনি না চিনলেও রিক্সা চালক ব্যাক্তিকে
যদি বলেন যে আপনি নাটোরের কাঁচাগোল্লা নিবেন তাহলে উনিই আপনাকে সেই ঠিকানায় পৌছে
দিবেন। এখান থেকে আপনি নিঃসংকচে নাটোরের আসল কাঁচাগোল্লা কিনতে পারবেন।
কাঁচাগোল্লা রেসিপি
আমরা সকলেই নাটোরের কাঁচাগোল্লার অনেক নাম শুনেছি। আমরা সকলে খেতেও অনেক পছন্দ
করে থাকি নাটোরের কাঁচাগোল্লা। আপনি কি জানেন নাটোরের কাঁচাগোল্লা কিভাবে বানানো
হয়। নাটোরের কাঁচাগোল্লার রেসিপি কি? যদি না জেনে থাকেন তাহলে এখনি জেনে নিন।
তাহলে আপনি বাড়িতে বসেই তৈরি করে নিতে পারবেন বিখ্যাত কাঁচাগোল্লা। তাহলে চলুন
এখন জেনে নেই নাটোরের কাঁচাগোল্লার রেসিপি সম্পর্কে।
কাঁচাগোল্লা তৈরির উপকরণঃ
- দুধের ছানা (আপনার ইচ্ছা মতো)
- চিনি (পরিমাণ মতো)
- এলাচ
কাঁচাগোল্লা তৈরিকরণঃ কাঁচা গোল্লা তৈরি করার জন্য প্রথমে একটি কড়াই অথবা
প্যান নিতে হবে। সেই কড়াই অথবা প্যান অল্প আঁচে হালকা গরম করে নিয়ে তাতে
ছানাগুলো ঢেলে দিবেন। ছানাগুলো ঢেলে দিয়ে আস্তে আস্তে নাড়তে থাকবেন। এর
কিছুক্ষণ পরে দেখবেন সব ছানার দানা গলে গিয়েছে। তখন আপনার পরিমাণ মতো চিনে
মিশিয়ে আবার পুনরায় আস্তে আস্তে নাড়তে থাকবেন। এরপর যখন ছানার পানি শুকিয়ে
আসবে তখন চিনির রস দেখা গেলে তাতে পরিমাণ মতো এলাচের গুড়া মিশিয়ে দিবেন।
এরপর কিছুটা ঝোল থাকা অবস্থাতেই চুলা থেকে কড়াই অথবা প্যান নামিয়ে নিবেন। মনে
রাখতে হবে এটি বেশিক্ষণ তুলার উপরে রাখলে জাল বেশি হয়ে গেলে ছানাগুলো পুড়ে শক্ত
হয়ে যাবে। তাই কিছুটা ঝোল থাকা অবস্থায় আগেই নামে নিতে হবে চুলা থেকে। এখন
আপনার তৈরি হয়ে গেল নাটোরের বিখ্যাত কাঁচাগোল্লা। এরপর আপনি সেটি মনের মত করে
পরিবেশন করতে পারবেন অন্যের সামনে। কেউ কেউ কাঁচা গোল্লা তৈরি হওয়ার পরে তার
উপরে কিছুটা পরিমাণ পেস্তা বাদাম অথবা কিসমিস মিশিয়ে সেটি পরিবেশন করেন।
মন্তব্যঃ নাটোরের কাঁচাগোল্লার দাম ২০২৪- কাঁচাগোল্লা রেসিপি
আজকে আমাদের পাঠের প্রধান আলচ্য বিষয় ছিলো নাটোরের কাঁচাগোল্লার দাম ২০২৩ -
কাঁচাগোল্লা রেসিপি সম্পর্কে। আশা করছি আপনি পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ে
নাটোরের কাঁচাগোল্লার দাম ২০২৪ - কাঁচাগোল্লা রেসিপি সম্পর্কে জানতে
পেরেছেন। আজকের আর্টিকেলটি ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে
শেয়ার করতে ভুলবেন না। এরকম আরো তথ্য জানতে নিয়োমিত আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
আজকের মতো এই পর্যন্তই। দেখা হবে পরবর্তি কোন একটি আর্টিকেল নিয়ে। ততক্ষণ ভালো
থাকবেন সুস্থ্য থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
Post a Comment